Aboriginal – Explore History, Language and Culture

কান্তেশ্বর রাজার রাজপুরী নির্মাণ / গোসানী মঙ্গল

চতুর্থ লহরী

[ রাজপুরী নির্মাণ ]

কৈলাসে থাকিয়া চণ্ডী করিল হুঙ্কার ।
আইল বিশ্বকর্মা দেব চণ্ডীর দুয়ার ।।
বিশ্বকর্মা প্রণমিল চণ্ডীর চরণ।
কি আজ্ঞা করহ চণ্ডী করিব তত ক্ষণ ।। ১৩১
চণ্ডী কহে বিশ্বকর্মা চল য়েইক্ষণ।
জামবাড়ী নগরে পুরি করহ নির্মাণ।।
কান্তনাথ হবে রাজা রাজ্যের পালন।
য়েই হেতু তোমাকে করিলাম স্মরণ ॥ ১৩২
শুনিয়া বিশ্বকর্মা আইল শীঘ্র গতি।
আপনার অস্ত্র ধরি শিষ্যর সংহতি।।
আসি উপনীত হইল জামবাড়ী নগর।
আজ্ঞা দিল বিশ্বকর্মা বান্দ আগে গড় ।। ১৩৩।
দীর্ঘ প্রস্থে য়েকই সম হল যেক ছার মাটি।
তিন ছার মাটিয়ে বান্ধ করি পরিপাটি।।
কোদাল ধরিয়া মাটি কাটে শিষ্যগণ ।
দশদণ্ড মধ্যে হৈল গড়ের নির্মাণ ॥ ১৩৪
গড় বান্ধি বিশ্বকর্মা নিরীক্ষণ করে।
উচ্চ হৈল গড় আকাশক্ ধরে ।।
দুয়ার না হইলে গড় মরণ সমান ।
যাতায়াত কিমতে হবে সৈন্যসেনাগণ ॥ ১৩৫
শিষ্যগণ পাঠাইল পৰ্বত উপর ।
ত্বরিতে আনিল তার গরিষ্ঠ পাথর ।
পূৰ্বে শ্ৰীবচ্ছ রাজা ছিলেন বেহারে ।
শনি ছাড়ি তপ করি গেল স্বর্গপুরে ॥ ১৩৬
বেহারে হইল রাজা ভগদত্ত বীর ।
কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ করি ছাড়িল শরীর ॥
বেহার অরাজক হৈয়া কত কাল ছিল।
তার যত দালান কোঠা ভাঙ্গিয়া আনিল ॥ ১৩৭
পূৰ্ব দিকে কাটে গড় প্রথম দুয়ার ।
ধম্মদুয়ার বুলি নাম রাখে তার ।।
ইট পাথর দিয়া বান্দে দ্বার খান।
লােহার কপাট করি দিল অনুপাম ॥ ১৩৮
য়েই মতে পূৰ্ব্ব দ্বার হইল নির্মাণ।
উত্তর গড়ক্ নাগি করিল প্রয়াণ ।।
কাটিল উত্তর দুয়ার পরম সুন্দর।
ইট লােহায় বান্ধে কপাট পাথর ॥ ১৩৯ |
অক্ষয়দুয়ার বুলি রাখে, তার নাম ।
পশ্চিম গড়ক্, নাগী করিল প্রয়াণ ।
কাটিল পচ্ছিম গড় অতি অনুপাম।
ইট দিয়া সেই দ্বার করিল নির্মাণ ॥ ১৪০
পাথরের স্তম্ভ গারি লােহা খিল দিন ।
লোহার কপাট জয়দ্বারে লাগাইল ।।
দক্ষিণ গড়ের দ্বার হৈল মনােহর।
শিলের স্তম্ভ দিয়া নাম রাখে শিলদ্বার ॥ ১৪১
পাথরের কপাট নাম রাখে শিলদ্বার ।
আসনে চলিয়া আইল দক্ষিণ গড় ।।
কাটিল দক্ষিণ দ্বার দেখি সুশোভন ।
ইট পাথরে বান্দি করিল নির্মাণ ॥ ১৪২
য়েই মতে চারি দ্বার করিল নির্মাণ।
চারি দিকে বিশ্বকর্মা করে নিরীক্ষণ।।
নির্মাণ হইল গড় দেখিল নয়নে।
শিষ্য সঙ্গে করি আইল বাহির উদ্যানে।। ১৪৩
বিশ্বকর্মা কহে শুন শিষ্য কর্মিগণ ।
গড়ের দক্ষিণে কর গড়ের নির্মাণ।।
আজ্ঞা পাঞা কর্মিগণ গড় বানাইল।
গড়ের মধ্যেতে ঘর যত্নে বান্ধাইল ।। ১৪৪
শাল খুটা সিঁড়ি করি লােহা খিল দিল।
বেতের ছাউনী দিয়া বাঙ্গলা বান্দিল ।।
খেড়ি ঘর বার গােটা করিল নির্মাণ।
নানা চিত্র করে তাতে দেখি সুশােভন ॥ ১৪৫
হেঙ্গুল হরিতাল দিয়া করিল বরণ।
জামের ভুবন কিবা ইন্দ্রের সদন।
লোহার কপাট দ্বার লােহার খিড়িকি।।
ইট দিয়া বনাবন্দি করিলেন পাকি॥ ১৪৬
য়েই মতে কাচারি করিলেন নির্মাণ।
বারবাঙ্গলা বুলি রাখে তার নাম ॥
তথা হইতে কর্মিগণ করিল গমন।
গড়ের নিকটে আসি করে নিরীক্ষণ ॥ ১৪৭
চারিদিকে গড়খাই জলেতে ভরিল।
চারি দুয়ারে চারি আইল বান্ধাইল ॥
আইলের বগল বাদে ইট বসাইয়া।
সানবান্দা ঘাট লোক চলে সেই দিয়া।। ১৪৮
উত্তর দ্বার গেল পুন করিয়া বিচার।
তথা য়েক পুরি করে রাণী থাকিবার ।।
পঞ্চঘর বান্ধাইল পরম সুন্দর
কোট কাটি ঘের তার চারিদিকে গড়।। ১৪৯
বিচিত্র বরণ ঘর দেখিতে নিৰ্ম্মল ।
ডের বুড়ি ইন্দ্রা দিল খাইবার জল ।।
পরম সুন্দর পুরী অমরা সমান।
পুরীর তুলনা নাই য়ে তিন ভূবন ৷৷ ১৫০
পুরীত্ শীতল হবে রাজার বিলাস।
পুরীর রাখিল নাম শীতল আওয়াস ॥ 
তথা হইতে কর্মিগণ আইল আর বার।।
পূৰ্ব দিকে বান্দে মঠ চণ্ডী পূজিবার ॥ ১৫১
চারিদিগে ছােট দেওয়াল করিল নির্মাণ।।
দেওয়ালের চারিদিগে দ্বার চার খান।।
লােহার কপাট দিল অতি মনােহর।
মধ্যে মধ্যে বান্দে কত পাথরের দ্বার ॥ ১৫২
পশ্চিম দুয়ারে দিল বালাখানা করি।
নহবত্ খানা বাদ্য তাহার উপরি।। 
মঠ মধ্যে শ্বেত ইন্দ্রা করিয়া নির্মাণ।
চণ্ডীকার মঠ চিত্র করে কর্মিগণ ॥ ১৫৩
ইট পাথরে বান্দে হেঙ্গুলে অঙ্গায় ।
সিংহ পৃষ্ঠে সিংহাসনো নিৰ্মাইল তায় ।। 
তথা হইতে পশ্চিমে কৰ্ম্মী আগমন ।
য়েক খানি ডিঘি খুড়ি শিবের কারণ।। ১৫৪
পাথরের বান্দাতার চারিখানি ঘাট।।
সেইখানে নিৰ্মাইল হর গৌরী পাট ॥
ডিঘিত করিবে স্নান রাজা কান্তেশ্বর ।
গৌরী পাটে পুজিবেক উমা মহেশ্বর ॥ ১৫৫
ভােলানাথ করহ দয়া দেব উমাপতী।
ভোলানাথের ডিঘি বুলি হৈল তার খ্যাতি।। 
বিশ্বকৰ্ম্মা আইল ডিঘি করিয়া নির্মাণ ।
রাজার বান্দেন পাট করিয়া সন্ধান ।। ১৫৬
ইট পাথরে বান্দে মহারাজ পাট ।
নানা বর্ণে চিত্র করি করে কত ঠাট ।।
ঘাটের পূর্বে দুই ডিঘি খোঁড়াইল
পাথর কাড়িয়া তার ঘাট বান্ধাইল ॥ ১৫৭
পাটের ঈশান কোণে বান্দিল কৈলাশ ।
যে ঘরে করিবে রাজা নিধুবন বাস ।। 
পাটের চতুর্দিগে বান্দাইল ঘর।
ইন্দ্রের অমরা যেন পরম সুন্দর ॥ ১৫৮
রাজার বিলাস ঘর দুই সরােবরে ।
সুরঙ্গ করিয়া দ্বার ঢাকিল পাথরে ।।
য়েই মতে রাজপাট করিল নির্মাণ ।
দেবের ভুবন যেন দেখি বিদ্যমান ॥ ১৫৯
রাজ মাতার একঘর করিল তৈয়ার ।
য়েক গােটা শিলখুড়ি স্নান করিবার ।। 
বুড়ি করিবে স্নান শিলের খােরায় ।
শিলখুড়ি বলিয়া তাহার নাম কয়॥ ১৬০
পাটের পূর্বদিগে আইল আর বার।
ধর্ম্মশালা আদি তথা বান্দে কত ঘর ।। 
বেপারি কাইঞা পট্টি হবে যত জন।
স্থানে স্থানে বান্দে ঘর তাহার কারণ।। ১৬১
ঘোড়াশাল হাতীশাল বান্দে কত ঘর।
চিত্র বিচিত্র করেন ঘরের ভিতর ।। 
রাজপাট চণ্ডীপাট সড়ক করিল।
নানা বর্ণ চিত্র পুরি নির্মাইল ।। ১৬২
এই মতে রাজপুরী করিল নির্মাণ।
গড়ের বাহির হৈল দক্ষিণে উদ্যান॥
পূর্ব দক্ষিণ কোণে খােড়ে সরােবর।
সোয়ারী খেলিবে রাজা জলের উপর ॥ ১৬৩
দীর্ঘে প্রস্তে আধ ক্রোস সেই সরোবর ।
দুই দিগ সরু তার মধ্যেতে প্রসর॥
নৌকায় চড়িয়া তাতে হবে জল খেলা।
সেই সরোবরের নাম রাখিল পেটলা।। ১৬৪
পুনর্বার কর্মিগণ গড়ের ভিতর।
অস্ত্র তৈয়ার করে খুড়িয়া হাপর।। 
হাতিয়ার কিরীচ দাই সাইঙ্গ ভােট ছােড়া।
খাপর বল্লম আদি বানাইল কোড়া॥ ১৬৫
য়েক শত বন্দুক যে করিল তৈয়ার।
দুই তােপ বানাইল দেখি ভয়ন্কর।। 
কালু খাঁ ফতে খাঁ রাখে তার নাম
গড়ের উপরে রাখে তােপ অনুপাম ॥ ১৬৬

[৫ম লহরী]

পাটের দক্ষীণ ভাগে খীল বানাইল
তীর গুলি বন্দুক আদি সকট ভরিল।। 
সহর বন্দর ঘর সকলি করিল। 
য়েই মতে বিশ্বকর্মা পুরী নির্মাইল ॥ ১৬৭
আপনার অস্ত্র যত সকলি লইল ।
কোদালের য়েক ছারে য়েক দীঘি দিল ।। 
সেই দীঘিত অস্ত্র ধুইল কর্মিগণ।
কোদাল ধোয়া বুলিয়া হৈল তার নাম ॥ ১৬৮
বিশ্বকর্মা গেল চলি কৈলাস ভূবন।
শিষ্য সহিত বন্দে চণ্ডীর চরণ।। 
পুরী নির্মাণ হইল কৈল নিবেদন।
বিশ্বকর্মা চলি গেল আপন ভূবন।। ১৬৯
চণ্ডীর বরের কথা না যায় কথন
চণ্ডী পুজিলে সেই পায় ধন জন ।। 
হরি হর পুজ দুই চরণ যুগল
ভনে কবি রাধাকৃষ্ণ গােসানী মঙ্গল॥ ১৭০
তিন প্রহর রাত্রিত্ পুরীর নির্মাণ
শেষ প্রহরে চন্ডী করিলেন স্বপন
শুন বাপু কান্তনাথ আমার উত্তর 
প্রভাতে হইবা তুমি রাজ্যের ইশ্বর।। ১৭১
পুরীর নির্মাণ হইল রাজ আভরণ। 
ছত্র ধরি রাজা হৈয়া পাল প্রজাগণ।। 
আজি কান্তনাথ নাম ঘুচিল তােমার
মাের বাক্য বের্থ নহে সুন তৎপর ॥ ১৭২
কান্তনাথ নাম তার হৈলা রাজ্যেশ্বর ।
আজি হৈতে নাম তাের হৈল কান্তেশ্বর ॥
তথা হইতে অঙ্গনাকে করিল স্বপন
তোর পুত্র হৈবে রাজা চণ্ডীর বচন ॥ ১৭৩
পঞ্চ কন্যা জন্ম হইল বিনন্দের ঘরে
সেই কন্যা আনি বিভা দেও পুত্রবরে ।। 
অভিসেক করি কর রাজ্যের রাজন ।
অঙ্গনাকে চণ্ডী আসি করিল স্বপন ॥ ১৭৪
তথা হৈতে চণ্ডী করিলেক গমন।
শশিবরক গিয়া করিল স্বপন ।। 
শিয়রে বসিয়া কহে শুন শশিবর ।
জামবাড়ী নগরে রাজা হইল কান্তেশ্বর ॥ ১৭৫
তুমি তার পাত্র হও হেলা না করিবা
অবস্য আমার বাক্ষে মন্ত্রী হইবা॥
তথা হইতে চণ্ডী অন্য দিকে যায়
রাজ্যে রাজ্যে যত লােক স্বপন করায়।। ১৭৬
চাকুরী সিপাই পাইক আছে যত জন।
সবাকে যাইয়া চণ্ডী করিল স্বপন ॥
কান্তেশ্বর রাজা হইল বেহার দক্ষিণে।
চাকুরী কর গিয়া সেই রাজা স্থানে ।। ১৭৭
কাঞিয়া বেপারী যত সাখারী কামারী ।
মনিহারী আদি আর যতেক পসারী।। 
তেলি মালি হাড়ী বাদিয়ার মুচিয়ার।
দোকানি বাজারি আদি হরকরা আর ।। ১৭৮
স্বপন করায় চণ্ডী বিবিধ প্রকারে।
চলহ যতেক লেওক কান্তেশ্বর পুরে ।। 
কামার কুমার ডােম ডাওয়াই ডোকল ।
স্বপন দেখিয়া মনে বড় কুতুহল। ১৭৯
তথা হইতে চণ্ডী করিল গমন
ব্রাহ্মণ অতিত ঘরে করায় স্বপন।। 
বেহারত্ হইল রাজা নাম কান্তেশ্বর
তাহার সদনে সবে চল দ্বীজবর ।। ১৮০
সর্বস্থানে য়েই মতে করিল স্বপন।
কৈলাস ভূবনে চণ্ডী করিল গমন।। 
চণ্ডীর বর দেখ কভু মিথ্যা নয়।
কান্তেশ্বর নাম রাজা হইল উদয় ॥ ১৮১
করহ চণ্ডীর পুজা পাবা ধন বর।
ধন দিয়া পুজা কর দেব দ্বীজবর ।। 
দেবতার বরে লক্ষ্মী হইবে চঞ্চল 
ভনে কবি রাধাকৃষ্ণ গোসানী মঙ্গল ।। ১৮২

[ষষ্ঠ লহরী]

নিশি হইল ভাের চণ্ডীর পাইরা বর
জাগিয়া উঠিল কান্তেশ্বর
অঙ্গনা জাগিল পরে হরিবােল উচ্চৈস্বরে
ডাকি কহে শুন পুত্রবর।। ১৮৩
চণ্ডী প্রসন্ন হৈল আজি দুঃখ দূরে গেল
দেখ পুত্র পুরীর নির্মান
স্বপ্ন করিল মােক শুন বাপু কহ তােক
পূজা কর চণ্ডীর চরণ।। ১৮৪
পুজা করি হও রাজা পালিবা যতেক প্রজা
বৈস গিয়া পাটের উপর।
কান্তেশ্বর বলে মাতা উত্তম কহিলা কথা
চণ্ডী মােক দিছে রাজ বর। ১৮৫
য়েত বলি করি স্নান আনে পুষ্প আয়োজন
মায়ে পুতে করেন পুজন।
সুত্র মান অনুপাম গৃহে আসি উপসন
নিবেদন করিল ব্রাহ্মণ ॥ ১৮৬
চণ্ডী পুজা বিসর্য্যন মুখে কহে দুর্গানাম
ব্রাহ্মণ দেখিয়া প্রণমিলা।
শুন রাজা কান্তেশ্বর নিবেদয় দ্বিজবর
শুন রাজা পূর্ব বিবরণ । ১৮৭
শিষ্য হইবা মাের যশ রাখ নৃপবর
রাজগুরু হইব অনুক্ষণ
শুনি কহে কান্তেশ্বর শুন গুরু দ্বিজবর
মন্ত্র দেহ ধরিল চরণ ।। ১৮৮
সেইক্ষণে আচমনি কর্ণ ধরে দ্বিজমনি
কান্তেশ্বর হইল উপাসন।
দ্বিজে দিল দূর্গানাম কান্তেশ্বর অনুপাম
নমঃ গুরু বন্দিল চরণ।। ১৮৯
গ্রামে প্রজা নারীগণ আসি মিলে সর্বজন
আনন্দ বাধাই সর্ব্বক্ষণ।
নানা দেখি বিপ্রগণ তার হইল আগমন
কান্তেশ্বর রাজা ভাগ্যবান।। ১৯০
 

(ক্রমশ…… Please follow this website)   

# Bholanather dighi # shitalabas # shilkhuri

# Gosani Mangal # Rajpuri nirman # Kodaldhoa dighi

# Kamtapur Rajpat # Chandi thakur # Raja Kanteshwar

Share..

Share on twitter
Share on email
Share on whatsapp
Share on facebook
Categories

Leave a Reply

Recent Posts

গোরক্ষনাথ কূপ, বাংলাদেশের একমাত্র বেলে পাথরের কূপ ও গোরকূই মন্দির।

‘গোরক্ষনাথ কূপ ও গোরকূই মন্দির’বাংলাদেশের একমাত্র বেলে পাথরের কূপ।কথিত মতে নাথ পন্থিদের গুরু গোরক্ষনাথের জন্মস্থান এখানেই। লিখেছেন – Maroof Hussain Mehmet এটা বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার

Read More »

আঈ মাটি, আঈ ভাষা সংস্কৃতি – চেনো নিজক। ভাস্বতী রায়

লেখাইয়া- ভাস্বতী রায় হবার পাঞ ৫০০ বছর আগোত মোর পূর্ব পুরুষ কোচ জাতীর মানষি আছিল। মেচ ও হবার পাঞ। ধীমাল, থারু, জালিয়া-ও হবার পাঞ। কিন্তু

Read More »

স্বপ্নাকে হেনস্থা করার রহস্য!

স্বপ্নাকে হেনস্থা করার রহস্য! – by Guddu Roy সোনাজয়ী অ্যাথলেটিক তথা অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বপ্নাকে নিয়ে অনেক জল বয়ে গেলো আসমুদ্র হিমাচল পর্যন্ত l হয়তো বা

Read More »

কুচবিহার রাজবংশের সন্তান ৺কুমার গজেন্দ্র নারায়ণ ( জুনিয়র )

।। কুচবিহার রাজবংশের সন্তান ৺কুমার গজেন্দ্র নারায়ণ ( জুনিয়র ) ।। লেখক আবির ঘোষ ভূতপূর্ব দেশীয় রাজ্য কুচবিহারের ১৬ নং মহারাজা হরেন্দ্র নারায়ণ ভূপের (

Read More »
Subscribe to Blog via Email

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 1 other subscriber.