Photo of the Remarkables mountain range in Queenstown, New Zealand.

কামতাপুরী কি আলাদা ভাষা?

উত্তরে বলা যেতে পারে ভাষার স্বাতন্ত্র্য নির্ণয় ব্যাপারে Subjectivity-র চেয়ে objectivity-র বেশি কার্যকারিতা। কেউ বললেন এটা ভাষা, অমনি তা ভাষা হয়ে গেল, আর কেউ বললেন এটা ভাষা নয়, তখনি তা ভাষা হল না – এ হতে পারে না।

দুটি ভাষা  আলাদা কি এক তার বিচার হবে ভাষা দুটির প্রধান অংশ বা  main component parts এর উপর ৷ এই components গুলি যদি identical হয় তবে ভাষা দুটি এক। আর যদি ভিন্ন হয় তবে ভাষা দুটি পৃথক হবেই। এই components গুলিকে প্রধানতঃ ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। 
১) History ( ইতিহাস ) ২) Phonology ( ধ্বনিতত্ত্ব ) ৩) Morphology ( রুপতত্ত্ব ) ৪) Syntax ( বাক্য বিন্যাস ) ৫) Vocabulary (শব্দ ভান্ডার) 

কামতাপুরী ভাষার ইতিহাস বাংলা ভাষার ইতিহাস হতে স্বতন্ত্র। যদি বিখ্যাত ভাষাবিদগণের বক্তব্য সঠিক বলে ধরা হয় তাতে এ প্রমাণিত হয় যে, এই দুটি ভাষা এক আতুর ঘর থেকে জন্ম নিলেও স্থানান্তরে ও কালান্তরে অন্যান্য প্রাচীন উপভাষাগুলির সঙ্গে মিলেমিশে দুটি পৃথক ভাষা গড়ে উঠেছে। আর এই সংযােগী উপভাষাগুলি দেশজ। ওগুলি বিদেশ হতে আসে নি।যথা- বড়াে, রাভা, সাঁওতালী ইত্যাদি।

ভাষাবিদগণের মতে আলােচ্য ভাষাটি কামরুপের অব্যবহিত পশ্চিম অঞ্চল মিথিলা হতে প্রাচীন কামরুপে প্রবেশ করেছে। প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী জর্জ গ্রীয়ার্সন কামরুপী ভাষা আলোচনা প্রসঙ্গে যে মন্তব্য করেছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন “North Bengal and Assam did not get their language from Bengal proper but directly from west. Maghadhi Apabhransha, in fact may be considered as spreading out eastwards and south wards in three directions. To the northeast it developed into northern Bengali and Assamese, to the south in oriya and between the two into Bengali. Each of these three discendents is equally directly connected with the common immediate parent and hence we find North Bengali agreeing in some respects rather with oriya, spoken far away to the south than with the Bengali of Bengal proper of which it is usually classed as a sub-dialect”. 

অতএব গ্রীয়ার্সনের মতে কামতা ভাষা (উত্তরবঙ্গের ভাষা) সরাসরি মগধ ও মিথিলা থেকে এসেছে। ডঃ গ্রীয়ার্সনের মতে উত্তরবঙ্গ ও আসামের ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার যতটুকু মিল, তার চেয়ে উড়িয়া ভাষার সঙ্গে মিল অনেক বেশী। কামরুপী (কামতাপুরী) বাংলা, উড়িয়া – এই তিনটি ভাষার উৎসস্থান মাগধী অপভ্রংশ মতান্তরে (মৈথিলী) হলেও পরবর্তীতে তিনটি পৃথক ভাষার আকার ধারণ করেছে ।
ডঃ বাণীকান্ত কাকতীর মন্তব্য প্রণিধান যােগ্য।”It would thus appear that there is no questions of one dialect group having sprung out of another. They are all related to one another as having emanated from one centre of radiation and yet following their lines of development.”

ডঃ বাণীকান্ত কাকতীর মতেও এই ভাষা তিনটির কোনটিও কারাে জন্মদাতৃ নয়। একে অন্য হতে আলাদা । অতএব একটি অন্যটির Sub-dialect হতে যাবে কেন?

ডঃ সুনীতি কুমার চ্যাটার্জি বলেছেন “from its geographical position Assam was practically an extension of North Bengal, so far as its speech and early history was concerned,”- (O. D. B. L.)

তিনি বলতে চেয়েছেন, ভৌগলিক কারণেই ভাষাগত ব্যাপারে আসাম উত্তরবঙ্গের বর্দ্ধিতাংশ। অর্থাৎ আসামের যে ভাষা তা উত্তরবঙ্গ থেকেই এসেছে। বস্ত্ততঃ আসাম ও বর্তমান উত্তরবঙ্গ পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক যুগ থেকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে অভিন্ন। শুধু বৃটিশ যুগেই উত্তরবঙ্গ হতে আসাম রাজনৈতিক দিক থেকে পৃথক হয়েযায়। কিন্তু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এখনও অভিন্ন।

কামতাপুরের মহারাজ বিশ্বসিংহের রাজ্যের সীমা যােগিনীতন্ত্রে উল্লেখ আছে।

“করতােয়াং সমারভ্য যাবদ্ দিক্করবাসিনী।

উত্তরস্যাং হিমগিরি লাক্ষায়াং সঙ্গমাবধি ৷।”

অর্থাৎ করতােয়া হতে পূর্বে ডিক্রাই নদী, উত্তরে ভূটান পর্বত হতে দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত বিশ্বসিংহের রাজ্য।মহারাজ বিশ্বসিংহের পুত্র মহারাজ নরনারায়ণের রাজ্য এর প্রায় দ্বিগুন ছিল। সমগ্র অবিভক্ত আসাম, উত্তরবঙ্গ এবং বর্তমান বিহারের পূর্ণিয়া নরনারায়ণের রাজ্যের অন্তর্ভূক্তি ছিল। তিনি ছিলেন যােড়শ শতাব্দীর পূর্ব – ভারতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী সম্রাট।
রায় সাহেব পণ্চানন বলেছেন -“এই চতুঃ সীমার মধ্যে দিনাজপুরের কিয়দংশ জলপাইগুড়ি, রংপুর, কুচবিহার, ধুবড়ী ও গােয়ালপাড়া অধুনা আসামের অন্তর্বতী আর কয়েকটি স্থান- এই স্থানগুলি অতি প্রাচীনকাল হইতে একই দেশের একই রাজ্যের অন্তর্গত। রাজ্য ক্রমশঃ ও খন্ডশ: বিভক্ত হইয়াছে। অধুনা ভিন্ন ভিন্ন খন্ডের অধিবাসীরা একটি সাধারণ দেশ নামে অভিহিত হয় না বটে, কিন্তু তাহাদের সহবেদনা এখনও দূর হয় নাই। তাহাদের সকলে এক দেশবাসী বলিয়া অভিমান এখনও বর্তমান। জলপাইগুড়ির অধিবাসী গােয়াল পাড়ার অধিবাসীকে আপনার দেশের লােক বলিয়া এখনও হৃদয়ের কোলে স্থান দেয়। (কামতাবিহারী সাহিত্য -পঞ্চানন সরকার।)

সুখবিলাস বর্মাও তাঁর “ভাওয়াইয়া” গ্রন্থে সত্যকে অস্বীকার করতে পারেন নি। তিনি বলেছেন “প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, কামরপের প্রধান অংশ অর্থাৎ কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, রংপর জেলার অন্তর্ভুক্তি বঙ্গদেশের সঙ্গে না হয়ে আসামের সঙ্গে হলে এই কামরুপী ভাষার বিবর্তন অনেক সহজ ও দ্রুততর হতে পারত এবং সাহিত্যে সংস্কৃতিতে যথাযােগ্য স্থানলাভে কোনও বাঁধা থাকত না।  আসামের গােয়ালপাড়া ও তৎসন্নিহিত অঞ্চলের ভাষার স্থান ও মর্যাদা থেকে একথা সহজে অনুমান করা যায়। গােয়ালপাড়া ও কামরুপ জেলার কিছু অংশ প্রাচীন কামরপের অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে সেখানকার রাজবংশীদের ভাষা ছিল কামরুপী। অহম রাজবংশ অধিকৃত পূর্ব আসামের সঙ্গে গােয়ালপাড়া কামরুপ অঞ্চলের ভাষাগত ঐক্য কোনদিনই স্থাপিত হয়নি।” 

অন্য এক জায়গায় তিনি বলেছেন “…. অথাৎ কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, গােয়ালপাড়া, কামরুপ, রংপুর, দিনাজপুর প্রভৃতি জনপথ যে কোনও একটি রাজনৈতিক সত্ত্বার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকলে ( বঙ্গদেশ, আসাম, পাকিস্থান যাই হােক না কেন) এই অঞ্চলের ভাষার বিবর্তন অনেক গতি লাভ করত।”অর্থাৎ এখানে তিনি বােঝাতে চেয়েছেন যে, এই বিশাল ভাষিক অঞ্চল চিরকাল স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অণ্চল স্বাতন্ত্র্য পেলে কিংবা একই রাজ্য বা দেশভূক্ত থাকলে এর বিকাশ সহজ হতাে। তাহলে তাঁর মতের সঙ্গে আমাদের মতের পাথক্য কোথায় এবং কতটুকু ?তিনি বলেছেন – স্বাভাবিক ভাবেই নরনারায়নের চিঠিখানা কামরুপী বা রাজবংশী ভাষার নিদর্শন । আমরাও তা-ই বলেছি। দ্বিতীয়ত তিনি বললেন — এই বিস্তীর্ণ ভাষিক অঞ্চল স্বতন্ত্র ছিল চিরকাল এবং তা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। আমরাও তা-ই বলেছি।তবে কেন তিনি মঞ্চে বা মৌলিক বিতর্কের ক্ষেত্রে এই স্বাতন্ত্র্য কে স্বীকার করেন না? এ এক স্ববিরােধী ব্যক্তিত্বের নিদর্শন নয় কি ? তার উক্তির দ্বিচারিতা বিশেষ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিতবাহী নয় কি?
এই বিশাল অঞ্চলের ভাষার যে বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে এবং এই ভাষা- যে মিথিলা থেকে এসেছিল – এটা কোন ভাষাবিজ্ঞানী বলেন নি? সবাই বলেছেন। – ডঃ চ্যাটার্জি বলেছেন –
“It cannot be devined when the Aryan speech first came to North Bengal probably from Mithila and central and South Bengal from Anga.”O.D.B.L.

তা হলে অতি সহজেই বলা যায় যে, আর্যভাষা মিথিলা থেকে কামরুপ (কামতা ) বা বর্তমান উত্তরবঙ্গে এসেছিল। বাংলা হতে এর আগমন হয়নি।

কবি বীরেন রায়ের “উত্তরবঙ্গের ফুল্লরা-পােহাতী” গ্রন্থের ভুমিকায় ড: আনন্দ গােপাল ঘােষ বলেছেন “এই কামরপী বা আধুনিক রাজবংশী ভাষা বাংলা ভাষার আদি পর্বের ভাষা।  নানা কারনে বাংলা ভাষার চর্চার কেন্দ্র উত্তর-পূর্ব বঙ্গ থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছিল সে অন্য কথা।এ সত্য যে প্রাক ব্রীটিশ যুগে কামতাপুর ভাষা সংস্কৃতি চর্চার প্রধান কেন্দ্র ছিল। দেশীয় ভাষা, কৃষ্টি ধর্ম ও সমাজ অগ্রগতির যতগুলি দিক ছিল দেশীয় শাসক বর্গের সহায়তায় সেগুলির চরম উন্নতির মুখ দেখেছিল কামতার মাটি।

মহারাজ নরনারারণের রাজত্বকাল ছিল উত্তর পূর্ব ভারতের সুবর্ণ যুগ। এবং সেই সুবর্ণযুগের সুপ্রাচীন ভাষা আজও কামতাপুরী মানুষের মুখে মুখে। ডঃ ধীরেন্দ্র দাসের “তিস্তাপারের কথা” গ্রন্থের লেখক পরিচিতি-তে শ্রীকৃষ্ণবন্ধু, চন্দ বলেছেন কামতাপুরী ভাষা একটি বিশাল জাতি গােষ্ঠীর ভাষা। এই ভাষায় আজও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ গ্রামান্চলের অসংখ্য মানুষ তাদের মনােভাব প্রকাশ করে। এই ভাষার যে একটা স্বতন্ত্র সত্ত্বা আছে তা সহজেই অনুমেয়।” 

কোচবিহারের প্রাচীন ব্রতকথা” গ্রন্থে হিমাদ্রি শঙ্কর ভট্টাচাৰ্য্য ও ডঃ সুধী শঙ্কর ভট্টাচার্য্য বলেছেন -” …..কিন্তু দুঃখের বিষয় পরবর্তীকালে ইংরাজী শিক্ষার জন্য এবং বাংলা সাহিত্যের নব জাগরণের ফলে কোচবিহারের শিক্ষা সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য অবহেলিত হয় এবং এর ফলে এই ধারাটি আস্তে আস্তে চাপা পড়ে যায় – ( ভূমিকা)।

এখন কথা হল, যে ভাবে যা হওয়ার হয়ে গেছে। কলকাতায় শহর গড়ে উঠেছে – বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণ হয়েছে এবং কামতা-কামরুপী, কামতাবিহারী, কোচবিহারী, কামতাপুরী যাই বলুন না কেন, এই ধারাটি অবহেলিত হয়েছে, চাপা পড়েছে। এখন যদি এর পুর্ণজাগরণ  হয় তবে তাকে মূল্য দেওয়া হবে না কেন?

যাক সে কথা। আবার আলােচনায় ফিরি। কামতাপুরে ষােড়শ শতাব্দীতে ভট্টদেবের “কথাগীতা” গদ্য ভাষায় রচিত হয়। এই গীতা পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন – “You may very well be proud of the author of this book ( Kathagita of BhattaDev ) who could handle prose in such a remarkable lucid style more than a century before we had any prose in Bengali.”

এই কথাগীতা সম্পকে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্রের অভিমত প্রণিধানযোগ্য:-

“It is priceless treasure •••• prose literature developed to a stage in the far distant sixteenth century, which no other literature of the world reached exept the writing of Hooker and Latimer of England.”

স্যার আশুতােষ মুখার্জী বলেছেন – “The people who could write Gita in such prose in the seventeenth century was not a small people.”

অপর পক্ষে বাংলার গদ্যের সৃষ্টি হয় – খ্রীষ্টান মিশনারীদের সহায়তায়। ১৮০১ খ্রীষ্টাব্দেই ক্যারি সাহেবের চেষ্টাতেই বাংলা গদ্যের যাত্রা শুর হয় ।
সুশােভন সরকার তাঁর ‘On the Renaissance’ গ্রন্থে বলেছেন-
“The work had already started with the efforts of the Missionery. Carry who in 1801, had been placed in charge of the Bengali Department at the Govt. Fort william college which instructed the officials of the East Indian Company …., Carry gathered round him a group of pandits in his efforts to lift Bengali from an unsettled dialect to the status of a regular language in the domain
of prose expression.
Carry was responsible for a book of Diologues (1801 ) for a Bengali gtammar ( 1801 ) and for Dictionary between 1815 and 1825. He had also set up Bengali types for printing and started the first Bengali News paper, the weekly “Samacar Darpan” in 1818. One of his Pandits Mrityunjoy Vidyalanker, experienced with prose styles during 1802-1817. ••••Rammohan came forward as a major force from 1815, his translation instruction and tracts with their clarity and vigour.”

এতে অতি সহজেই ধরে নেওয়া যায় যে, ১৮০১ সন থেকেই বাংলা ভাষার সূত্রপাত হয়। এবং এর লিপিও উত্তর দিনাজপুর থেকে সংগ্রহ করেন willkins সাহেব। পঞ্চানন কর্মকার পরে এত্র ডাইস করেন। এই ভাবেই unsettled dialect ( অব্যবস্থিত উপভাষা ) settled (ব্যবস্থিত ) হয়।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময় বাংলায় পঠন-পাঠন আরম্ভ হয়নি। তখনও বাংলার শিশু শিক্ষার কোন গ্রন্থ লেখা হয়নি। অর্থাৎ বাংলার লেখ্যরপ তখনও আসে নাই। তাই তিনি নয় বছর বয়সেই কলকাতার সংস্কৃত কলেজে ভর্ত্তি হন। তিনি ১৮৪১ খ্রীষ্টাব্দে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে বাংলা ভাষার স্থান করে দিতে সিনেটের সঙ্গে অনেক যুদ্ধ করতে হয়। তবে দীর্ঘ চল্লিশ বছর সংগ্রামের পর বাংলা ভাষা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯১৯ সনে বাংলাকে M A Class এ পাঠ্যরপে আমরা দেখেছি।
(ভাষা আন্দোলনের শতবর্ষ- দীনেশ সিংহ)

উলিয়াম কেরী বাংলার মানুষকে তাঁর মনের কথা ভাষায় প্রকাশ করার অধিকার এনে দিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে এটা বাঙালীর বড় পাওনা।

এব্যাপারে অজয় মুখার্জীর ‘Literature in Kamta Cooch Behar Raj Darbar’ গ্রন্থের মন্তব্যটি স্মরণ করি – “As regard the language of the literature written in Kamta Cooch Behar Raj Darbar, specially from 14th to 16th century were written in Kamrupi Dialect. At that time the Bengali language and the Assamese language had not taken definite shape.”

অতএব সহজেই অনুমেয়, বাংলা ভাষা যখন সূর্যের মুখ দেখতে শুরু করে তার দুই শত বৎসর পূর্বেই কামতাপুরী ভাষার যৌবন দশা। কাজেই কে কার উপভাষা তা সহজবােধ্য। এ ক্ষেত্রে ডঃ টি, সি রাস্তগীর বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য ঃ-
“The Kamta language should not be regarded as a mere dialect of Bengali or Assamese language. It is the language in which the first vernacular writings of the  region were attempted and may be called the root of the present Bengali and Assamese language.”

-Azad Academy journal, Lucknow
May, 1993.


Collected from কামতাপুরী ভাষা প্রসঙ্গ / ডঃ ধর্মনারায়ণ বর্মা

#Dr. Dharmanarayan Barma # Dr. Sukhbilash Barma # Rabindranath Tagore # Kamtapuri bhasha prosongo # Maharaja Narayan # Bhattadev Kothagita # Dr. Dhiren Das # Dr. Sunity kr. Chaterjee # Dr. Grierson # Maithili language # Ray Saheb Panchanan # Kamtabihari Sahitya

Facebook Comments
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: