Photo of the Remarkables mountain range in Queenstown, New Zealand.

চৌদ্দশ শতকত কামতাপুরের রাজা দুর্লভনারায়ণের সাথত গৌড়ের রাজা ধর্মনারায়ণের যুয্য থামার সন্ধির শর্ত হিসাবে সাতঘর বামন আর সাতঘর কায়স্থ উপঢৌকন হিসাবে পান রাজা দুর্লভনারায়ণ। এই সাতঘর কায়স্থের ভিতরা একজন হৈলেন চন্ডীবর যায় হৈল্ শঙ্করদেবের পূর্বপুরুষ। কামতার নয়া বৈষ্ণব আন্দোলনের জনক হৈলেন সর্বগুণাকর শ্রীমন্ত শঙ্করদেব। 1449 খ্রীষ্টাব্দত আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমী তিথিত বর্তমান আসামের নওগা জেলার আলিপুখুরিত জন্ম হয়। উমার বাপের নাম কুসুমবর আর মাওয়ের নাম সত্যসন্ধ্যা। ছোটোবেলাত উমার ডাক নাম ছিল গঙ্গাধর।

চন্ডীবরের বেটা ছিল রাজবর, তার বেটা সূর্যবর যায় শঙ্করদেবের উবজনের পরে মাত্র 7 মাস বাচি ছিলেন। সূর্যবরের বেটা হৈল্ কুসুমবর আর কুসুমবরের বেটা হৈল্ শঙ্করদেব।কুসুমবর ছিলেন আলিপুখুরির একজন ভুইয়া বা জমিদার। উমরাও শঙ্করদেবের 7 বছর বয়সর সমায় দেহত্যাগ করেন। মাও সত্যসন্ধ্যা সোয়ামীর সাথত সহমরনত যায়া সতী হন। মানে 7 বছর বয়সতে শঙ্করদেব বাপ মাও হারা হন। ইয়ারপর ঠাকুমা খেরশুতি লালন পালন করেন শঙ্করদেবক। কম বয়সতে বাপ মাও হারেবার জন্যে শঙ্করদেব আধ্যাত্মিক পুছারির মাধ্যমে নিজক খুজিবার চেষ্টা করিচেন। তেরো বছর বয়সত পন্ডিত মহেন্দ্র কন্দলির নিকট শিক্ষা ন্যান তারপর তান্ত্রিক সাধনাত যোগ দ্যান। কিন্তুক তান্ত্রিক সাধনাত উমরা আধ্যাত্মিক পুছারির কোনো সঠিক উত্তর খুজি পান নাই। সেই জন্যে তন্ত্র সাধনা বাদ দিয়া ভাগবত চর্চা শুরু করেন। 

‘ভাগবত তত্ত্ব, জানিয়া পাছত, এড়িলা যোগ অভ্যাস।’ 

ভাগবত অনুবাদের সমায় নিজের পরিচয় দিবার যায়া কৈচেন – 
 
বরদোয়া নামে গ্রাম, শষ্যে মৎস্যে অনুপাম, লোহিত্যর আতি অনুকুল।
সেহি মহা গ্রামেশ্বর, আছিলন্ত রাজধর, কায়স্থ কুলর পদ্মফুল।। 
তারে সুত শিরমতি, কৃষ্ণ পাবে করি নতি, বিরচিল শঙ্করে পয়ার।। 
পরবর্তীতে এই পথটায় উমার লক্ষ্য হয়া যায়-
 
 হৃদয়র পরম ঈশ্বর মোর গুরু। 
ভগবন্ত ভগতর কল্পতরু।। 

শঙ্করদেব মোট দুইবার ভারত জুড়ি তীর্থ ঘুড়ি বেড়াইছিলেন। 1482 খ্রীষ্টাব্দত উমরা উত্তর আর দক্ষিণ ভারতের তীর্থলা ঘুড়িয়া নিজের একটা ধর্মমত আর ধর্মপথ ঠিক করির পাইছিলেন। তীর্থ ভ্রমণ শ্যাষ হওয়ার পাছত উমরা আসামত ফিরি আসি “এক শরণ নাম” ধর্ম প্রচার করছিলেন। আসামত যে প্রচলিত ধর্ম ছিল তাত বিগ্রহ পূজা প্রচলিত ছিল সেইটাত আর সমর্থন থাকিল্ না। খালি বিগ্রহ পূজা নোমায়, বলিপ্রথা, বর্ণাশ্রম, জাতপাত বিদ্বেষ এইলা কুল্লারে উমরা বিরোধী আছিলেন। 

নাহি ভকতিত জাতি আচার বিচার;
 ‘সবাকো মানিবা তুমি বিষ্ণু বুদ্ধি করি”। 

কামতাপুর ছিল বহুত যুগের শাক্ত পীঠভুমি। ধর্ম আচরণের ব্যাপারত ব্যক্তি স্বাধীনতার পক্ষত আছিলেন। “সংস্কৃত ভাগবত” আর “পুরাণক” অহমীয়া ভাষাত অনুবাদ করেন যাতে মানষি সহজে বুঝিবার পারে। নিজে বানিয়া বা কায়স্থ হয়য়াও বামনক উপদেশ দ্যান। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সগাকে একসাথত পসাদ খান। উমার এই ব্যবহার দেখি ওটিকার বামন সমাজের বিষ নজরত পড়েন। শ্রীমন্ত শঙ্করদেব একরোখা বা রক্ষণশীল উচা জাতের পত্তি বিদ্রোহী হয়া উঠিচে দেখি বামনলা যেংকরিয়ায় হোক উমাক পাছিলা পাকে টানিয়া নামার চেষ্টা করেন। সেলাকার অহোম রাজা সুং মুং এর টে শঙ্করদেবের বিরুদ্ধে নালিশ জানান। অহোম রাজার রোষের হাত থাকি বাচির জন্যে শঙ্করদেবক আসাম ছাড়ি আইসার নাগছিল, উমরা আসামের যেটি গেইচেন ওটিখোনায় উমাক খ্যাদেবার চেষ্টা হৈচিল। উমার একমাত্র দোষ ছিল যে উমরা কৃষ্ণ আর হরি বাদে আর কোনো দেবতাক প্রিয় করির চান নাই। শ্যষত উমরা কামতা কোচবিহারত আইসেন আর মহারাজা নরনারায়ণের নিকট আশ্রয় নেন। শঙ্করদেবের ধর্মমত আসাম থাকি শুরু হৈলেও তা পরিপূর্ণ রুপ পায় কোচ রাজালার সাহায্যে। 1546 থাকি 1568 খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত উমরা কোচবিহারত থাকেন, কোচবিহারত রওয়ার সমায় আসামের মানষিলা উমার ধর্মমত মানিয়া নেন। 

শঙ্করদেবের বইশঙ্করদেবের বৈষ্ণব ধর্ম জানির গেইলে কীর্তনঘোষা, ভক্তিরত্নাকর, অনাদিপাতন এই বইলা পড়ার দরকার আছে। শঙ্করদেবের মোট বই সাতাইশ খান। 

বরদোয়াত রওয়াকালীন 1516 খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত 
 
1. ভক্তিপ্রদীপ 
2. কীর্তনঘোষা^1
3. হরিশচন্দ্র উপাখ্যান
4. বড়গীত
5. রুক্ষ্মিণী হরণ কাব্য
6. অজামিলোপাখ্যান
7. অমৃতমন্থন
8. কীর্তনঘোষা^2
9. গুণমালা
 
আসাম রাজ্যত রওয়াকালীন 1516 থাকি 1543 খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত 
 
10. কীর্তনঘোষা^3
11. কীর্তনঘোষা^4
12. পত্নীপ্রসাদ নাট
 
কামতা কোচবিহারত রওয়ার সমায়, 1543 থাকি 1568 খ্রীষ্টাব্দ 
 
13. বলি ছলন
14. অনাদিপাতন
15. ভাগবতের গল্পগুচ্ছ
16. কীর্তনঘোষা^5
17. ভাগবতের অনুবাদ
18. কুরুক্ষেত্র 
19. নিমি নব সিদ্ধ সংবাদ
20. ভাতিমা
21. রামায়ণ 
22. ভক্তিরত্নাকর
23. কালী দমন
24. রুক্ষ্মীণী হরণ
25. কোলগোপাল
26. রামবিজয়
27. পারিজাত হরণ

শঙ্করদেবের রচনাগুলা ভাগ করিলে এইনাকান হয়। 

অনুবাদ – ভাগবতভক্তিমূলক – ভক্তিরত্নাকর, ভক্তিপ্রদীপ, নিমি নব সিদ্ধ। 

কাব্যগ্রন্থ – বলি ছলন, রুক্ষ্মীণী হরণ, হরিশচন্দ্র উপাখ্যান, অমৃতকথন, অজামিল উপাখ্যান, গজেন্দ্র উপাখ্যান।

অঙ্কীয়া নাটক – কালী দমন, পত্নীপ্রসাদ, পারিজাত হরণ, রুক্ষ্মীণী হরণ, রামবিজয়।

কোচবিহারের মহারাজা নরনারায়ণের প্রশংসা করি শঙ্করদেব উমার “ভাতিমা” গ্রন্থত যা লেখিচেন – 

Sankardeva composed and chanted hymn

(Bhatima) in praise of King Naranarayana, e.g.

Jaya Jaya Malla Nripati Rasavana/

Jakeri gunagananahike samana //

Nijakul kumuda prakasaka indu /

Gahina gambhira dhira pekhite sindhu //

 

Sabha eka patra apona maharaja /

Devaka madhye jaice suraraja //

Apona bhujabale dandiya rajakula /

Pawata sakalahi kaja //

Jaya jaya iswara pada prasadata /

Malladeva karo raja //

 

Nataka Bhataka paschima desaka

Jata jata pandita awe /

Ghotaka kambala bahuta rajata

Aponahi mana puri pawe /

 

Astrata sastrata sashtrata pargata

Bipakhyaka apana jana /

Deva brahmanaka pitrika arccane

Jakeri nahi samana /

 

Apona nrpabara dharma Yudhisthira

Bicarata apona sujana/

Kavya kavitta sasadhara pandita

Dhanurdhara Arjuna samana //

 

Mane Duryyodhana apona punyajana

Dane Karna samana /

Malla yudhata apona dristita

Tuha vine nahi ana /

 

Apona guna jase vyapiya dharani

Nrpati madhyata pekhi /

Neela utpala pekhiye sarira

Mrnala sadrisa bhuja dekhi //

 

Bahu bakhyasthala kati madhye dekhiye

Kamini hoye bari laja /

Jaice raja hanshi gamani

Gahina gambhira maharaja //

 

Kahalu tayuguna hamu sisumati

Marasa sakalo moha dosaha /

Kahaiya Sankara najano sabhasada

Patra madhye E katha pucaha //

Maharaja Naranarayana was impressed by Sankara, so much so that He spontaneously extended a highly reverential welcome to him, ordered a proper seat to be provided near him and requested Sankara to explain the meaning and implications of the hymns sung by him. At this, Sankara suggested that the pundits present in the court should explain first. The king waited a while, noticed that they were not opening out and simply keeping silent; so he asked Sankara to explain. Sankara then gave four different interpretations, which the king was satisfied with. Next the king informed Sankara about the allegations against him and wanted his explanation, which the latter did in such a superb manner that the accusing pundits had no answers to make. Thus the battle of wits with the pundits ended with victory for Sankara.

References:
1. History of Assam – E.A Gait
2. শঙ্করদেব ও মধুপুর ধাম – ভগীরথ দাস
3. Sankardeva in the Koch Kingdom- J.P. Rajkhowa
Facebook Comments
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: