কোচ – রাজবংশী -কামতাপুরী সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অধিকার / বাংলা সংবাদমাধ্যমের ভুমিকা।

Posted by

কোচ রাজবংশী ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়া কবিয়াল অসীম সরকারের কুরুচিকর মন্তব্যের ব্যাপারে সোসাল মিডিয়া তোলপার হৈলেও আশ্চর্যজনক ভাবে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ সহ গোটায় বঙ্গের বাংলা সংবাদমাধ্যমলা মুখত সিপলা নাগি থুইচে। খালি সংবাদমাধ্যম বুলি নাহয় বাঙালি বুদ্ধিজীবী সহ সাধারন মানষিলাও একেবারে চুপ। প্রতিবাদ তো দূরের কথা কাংও কাংও কবিয়াল অসীম সরকারক সমর্থন করিচে। অথচ অর্জুন পুরস্কার প্রাপ্ত স্বপ্না বর্মনের বাড়ির আগপাকে ছচাং মিছাং কি ঘটনা হৈচিল ওখুনাক সুতলি থাকি সাপ বানেয়া স্বপ্না বর্মনের নাম যোগ করি সংবাদ পরকাশ করি উমাক নিচা দ্যাখানোর চেষ্টা হৈচিল। বাংলা সংবাদমাধ্যম জাতি বিদ্বেষীর ভূমিকা নিরবে পালন করির ধৈরচে কৈলেও যে খুব এখনা ভুল কওয়া হৈবেনা এলা সগায় ট্যার পাবার ধৈরচে।ঐজন্যে আজি রংধামালির মানষিলা বাংলা সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আন্দোলনত নামিচে। এইটা কোনো নয়া ব্যাপার নোমায়।

আগতো দ্যাখা গেইচে যেলা এটিকার কোচ রাজবংশী মানষিলা নিজের অধিকার নিয়া আন্দোলনত নামিচে সেলা বাংলা সংবাদমাধ্যমলা উল্টা ইমাকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্যে তৎপর ছিল। কেপিপি, গ্রেটার আন্দোলন উমারটে কোনো আন্দোলনে নাহয়, এলা বিচ্ছিন্নতাবাদী, এলা জঙ্গী এইনাখান করি খবর পরিবেশন করা। মানে যায় বা যে গরীব, নিরীহ, অত্যাচারিত মানষিলা আন্দোলনত ছিল উমরা মানষি নোমায় উমাক জঙ্গী, বিচ্ছিন্নতাবাদী বানেবার অপচেষ্টা।বাংলা সংবাদমাধ্যম কোচ কামতার ইতিহাসোকো বাংলা আর বাঙালির ইতিহাস কয়া প্রচার করার চেষ্টা করে। কোচ রাজবংশী কামতাপুরী মানষিলা অতীতকাল থাকি এটিখোনা শিক্ষা বিস্তারের জন্যে জমিদান করছিল স্কুল, কলেজ নির্মানের জন্যে যে স্কুলত বাঙালী ছাওয়ালাও বই পড়ি প্রতিষ্ঠিত, কিন্তুক বাংলা পেপাড়ত কোনোদিন পাইবেন না সেই মানষিলার অবদানের কথা। পাইলে স্কুলের নাম পরিবর্তন করি বাঙালি মহাপুরুষ বা বাঙালী রাজনীতিবিদের নামে করি দেয়।

এই তো কয়দিন আগত শিলিগুড়ির কবিলাল বর্মন মহাশয় শহরের বুকত স্কুলের জন্যে 2 বিঘা জমি দানের (নাই নাই করি 6 কোটি টাকা) ইচছা প্রকাশ করিছিল। কি লাভ হৈবে সরকারক এই জমি দিয়া। পোথোম পোথোম উমার ইচ্ছাতে নাম হৈবে, কয় বছর যাবার দেও বা সরকার পরিবর্তন হোক দেখিবেন ঐ নাম পরিবর্তন করি বাঙালি মহাপুরুষ বা রাজনীতিবিদ বা গন্যমান্য কারো নামে করি দেওয়া শেষ। এইনাকান উদাহরন ভুরি ভুরি আছে। বাংলা সংবাদমাধ্যম ঘোংটে ঘোংটে অন্য খবর বির করির পায় কিন্তুক এইলা খবর কোনোদিনও পাইবেন না। চখুর আগালত কুচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণের নামে হাসপাতাল পাল্টাইল, সৌগ চুপ। প্রশাসন থাকি শুরু করি নেতা মন্ত্রী সংবাদমাধ্যম সগায় তো বাঙালির হাতত। আর তোমরা আন্দোলন করিলেই বিচ্ছিন্নতাবাদী, জঙ্গী ইত্যাদি তকমা। যাইহোক এত্তিকার মানষিক আরো বেশী সচেতন হওয়া খাইবে। অন্যায়ের বিরূদ্ধত বেশী করি খাড়া হওয়া খাইবে।

Facebook Comments

Leave a Reply / Comment / Feedback