রাজবংশী জনজাতিক নিয়া লেখা :রাজবংশী/ কামতাপুরী ভাষা:

Posted by

তৃতীয় পাঠ

রাজবংশী জাতির জনজীবন

রোহিত বর্মন

রাজবংশী জনজাতির কৃষি কামাই এ হইল প্রধান কামাই। বেশি ভাগ মানষির এ জাগা জমিন খুব কম। এমরা আগত জাগা জমিন বেচে ভাল মন্দ আনি খাইছে। নিজে কাজ কামাই না করিয়া অপর মানষিক আইদারি দিছে আর ওমরা রেকর্ড করি জমির ভাগ নিছোলো। এমন আরো মেলা অকামাই কুমাই করি ছিলো। জুয়া খেলে ভুইন হারি ছিলো। এমার লার জন্য আজি নয়া প্রজন্মের ভবিষ্যৎ আন্দারত। এই লা কথা আর না লেখং আগের কার বুড়াবুড়ি গুলা শুনলে বয়া পাইবে।

কোচবিহার জেলাত (বর্তমান জেলা) ঘুরলে দেখা যায় এমার লার প্রধান কামাই বা কাজ কৃষি। সিতাই ,শিতলকুচি ত এমরা বেশি ভাগ তামুক চাষ করে। জলপাইগুড়ি বেশির ভাগ মানষি চা চাষ বা চা বাগানের কাম করে। তিস্তা নদীর পারত এমার লার ধান চাষ করা দেখলে মাথা ঘুরি যাইবে তোমার। দুই দিনাজপুর ও তো এমার লাক কৃষি কামাই করা দেখা যায়। কোষ্ঠা কাটা, জাগার কথা শুনলে মন বয়া হয়া যায়। সেই পানি কামরা যখন চুলকায় তখন মন টা যে কি কয়! আর সেই কোষ্ঠা যখন হাটত নিয়া যায়া বাজার মন্দা তখন এমরা লা খালি মুক ফাটিয়া না কান্দে! কায় শুনবে এমার কস্টের কথা। কি হইবে কান্দিয়া। থাক মনের কথা মনতে মোর দাদা দিদি লা না কং আর তোমাক। এমন সাদা সিদা মানষিলাক রাজনীতি দল গুলা নিজের স্বার্থের জন্যে ব্যবহার করির নাগছে ।

কোন রাজনৈতিক দল কয় তোমাক রাজ্যে ফিরি দিমো আর কাহো কয় তোমার সম্মান ফিরি দিমো কিন্তুু ভোটের পরে কাজের কাম একনাও নাই ,আর এমরাও এমন চালাক যে নিজের কাজ কাম ছাড়িয়া রাজনৈতিক নেতা গুলার ন্যাংটি ধরি পাছতঘুরির নাগছে । এই মানষিলাকে কয় বিশ্বাসঘাতক কোনো কোনো মহান মানষি।এমরা যে কতদিনে এই আন্দার থেকে বিড়ে আসবে মুই আর লেখিরনা পালুং।কিছু মানষি আছে নিজের নাম জশ বারানের জন্যে এই বিশাল বড়ো জনজাতির মানষি লাক আলাদা আলাদা করি রাখছে যেমন: গ্ৰেটার, কেপিপি,আক্রুস আরো আছে এমন আর এই সংগঠনের একজন করি পিতা আছে ওমরা যেটা কয় এমরা সেটাতে হ্যাঁ কয়।

এই সংগঠন গুলা যদি একটে হয়া আন্দোলন করির হয় তাহলে ভিটা মাটি মান সম্মান সবে আজি ফিরি পাইলেক হয়। রাজনৈতিক দল গুলার ন্যাংটি ধরির না নাগলেক হয়। কয় না অতি চালাকের গলায় দরি।

কোচবিহার ছাড়া এই জনজাতি টা খালি খালি নাগে । কোচবিহারত এই জাতির মেলা স্মৃতি এলাং আছে যা কোচবিহার গেইলেদেখা যায় আর মন খান জুড়ী যায়।

এমার লার ন্যাংটি এখান পোশাক ছিলো আগত চ্যাংরা , বুড়া সগায় পিন্দি ছিলো এলা আর কাং না পেন্দে। ন্যাংটি দেখির হাসনাগে এলা । গামছা এলাং কিছু কিছু লোকের কমরোত পেন্দা দেখা যায়। এলাং হালুয়ারা গামছা পেন্দি আর ভাওয়াইয়া খান কয়া হাল বোয়ায় মনে সুখে। এলা কার ছাওয়া ছোটো রা গামছা, ন্যাংটি আর পচ্ছন্দ করে না এমলা চায় নয়া জিন্স, শার্ট মডেলিং জামা কাপড়। ধুতি আর দেখা যায় না এলা কার বুড়া গুলার থেকেও! এলা সবার থেকে প্যান্ট আর শার্ট।

Facebook Comments

Leave a Reply / Comment / Feedback